

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দারাজ নামে অনলাইন কেনাকাটার প্রতারণার শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অনলাইন কেনাকাটার নামে প্রতারণার শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ। আন্তর্জাতিক বা নামীদামি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নেম (যেমন: দারাজ) ব্যবহার করে প্রতারক চক্র পাঠাও কুরিয়ারের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের কাছে অর্ডার না করা কমদামী জিনিসপত্র পাঠিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।
এমনই এক ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েছেন পাঠাও ডেলিভারি সার্ভিসের কর্মী মোহাম্মদ আরমান। সম্প্রতি ১০০ টাকার জুস ও চকোলেটভর্তি পার্সেল বুঝিয়ে দিয়ে নির্ধারিত মূল্য আদায়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতারক চক্রটি ফেসবুক বা অনলাইনের বিভিন্ন ভুয়া বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করে। পরবর্তীতে গ্রাহকদের না জানিয়ে বা ভুয়া অর্ডারের ভিত্তিতে পাঠাও কুরিয়ারের মাধ্যমে ১০০ টাকা বা খুব কম মূল্যের জুস ও চকোলেটের পার্সেল পাঠায় এবং ক্যাশ অন ডেলিভারিতে উচ্চ মূল্যের টাকা আদায় করে নেয়। পার্সেল খোলার পর ভেতরের নিম্নমানের সামগ্রী দেখে গ্রাহকরা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
সিদ্ধিরগঞ্জের একটি এলাকায় এমনই একটি পার্সেল ডেলিভারি দিতে গেলে স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী পাঠাও ডেলিভারিম্যান মোহাম্মদ আরমানকে ঘিরে ধরে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ঘটনাস্থলে এলাকাবাসীর রোষানলে পড়ে পাঠাও কর্মী মোহাম্মদ আরমান বলেন, “আমরা মূলত কুরিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে কেবল মার্চেন্ট বা বিক্রেতাদের পাঠানো পার্সেল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করি। পার্সেলের ভেতরে কী রয়েছে তা দেখার সুযোগ আমাদের থাকে না। দারাজ বা অন্য কোনো কোম্পানির নাম ব্যবহার করে যে ভুয়া মার্চেন্টরা প্রতারণা করছে, সে বিষয়ে আমাদের আগাম জানা থাকে না।”
অনলাইন কেনাকাটায় সতর্কতার আহ্বান: অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বা সন্দেহজনক কোনো পার্সেল ক্যাশ অন ডেলিভারিতে গ্রহণের আগে ভালোভাবে মার্চেন্ট ভেরিফাই করা এবং পার্সেল গ্রহণের পূর্বে সচেতন থাকার জন্য সচেতন মহল থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :